Ads by Priyotunes- pAds

Download audios, videos and many more

Ads by Priyotunes- pAds

Download audios, videos and many more

প্রিয়টিউনস টিউনার 2

1286 টিউন

প্রিয়টিউনস প্রিয়টিউনস 2
...

Sponsored Tunes Ads by Priyotunes- pAds

নিজের পুনর্জন্ম যেভাবে নিজেই ঘটাতে পারবেন – ২০১৭ সালেই আপনার নতুন করে জন্ম হোক

টিউন করেছেন : প্রিয়টিউনস টিউনার 2 | প্রকাশিত হয়েছে : 8 মাস, 1 সপ্তাহ, 6 দিন, 2 ঘন্টা, 47 মিনিট আগে :: 8 January, 2017 08:45 PM | |

Ads by Priyotunes- pAds

Download audios, videos and many more


আসসালামু আলাইকুম। ২০১৬ সালের সকল ব্যার্থতাকে অতিক্রম করে ২০১৭ সালের জন্য কিভাবে নিজের পুনজাগরণ ঘটাবেন! যে পরিবর্তন নিজের মধ্যে নিয়ে এসে আপনি নিজের পুনজন্ম ঘটাবেন তাই আলোচনা করব। এক শুদ্ধ সুন্দর পৃথিবী গড়তে নিজেকে শুদ্ধ সুন্দর করতে হবে।

”আমার মায়ের গর্ভে আমায় আবার জন্ম দাও,
শুদ্ধ হবো সুন্দর হবো, আমার মায়ের গর্ব হবো।”- ওবায়দুল হক

কথাগুলো বলেই আমি ভাবি, জন্ম তো আবার হবে না। জন্ম একটাই। আবার নিজের জন্ম নিজেই দিতে হবে। যে জন্ম পেয়েছি সেটাকে পুনজন্ম ঘটাতে হবে। নিজেকে আরো শুদ্ধ আরো সুন্দর করতে হবে। আমার মায়ের গর্ব হবো আমিও। যেকোন মা আমাকে দেখেই যেন বলে, স্রষ্টা আবার যদি আমার জন্ম দাও তবে এমন একটি সন্তানের মা হিসেবেই জন্ম দিও। এমন ধন্য জীবন গড়তে না পারলে কেনই বা এ জীবন। আপনি ব্যার্থ হতে আসেন নি। প্রকৃতির সব কিছুই আপনাকে বিজয়ী দেখতে চায়। আপনি নিজেই নিজেকে পরাজিত করে রেখেছেন।

২০১৬ তে আপনি এক জীর্ণ দালানে বন্ধী ছিলেন – ২০১৬ সালের সকল সীমাবন্ধতা মেনে নিয়ে ২০১৭ সালের জন্য নিজেকে তৈরি করুন। ২০১৬ তে আপনার হাত ছিল ভিরু, নতুন পা ফেলার মতো শক্তি ছিল না পেশিতে, হৃদয় ভাঙ্গা ক্ষরা নিয়ে তবুও পথ হেটেছেন। কেন আপনি নিজেকে ব্যার্থ ভাবছেন? আপনি এখনও সংগ্রাম করছেন, তাই আপনি ব্যার্থ নন। আপনি এখনো নিজেকে বাচিয়ে রেখেছেন এটাই তার প্রমাণ। নিজের মধ্যে শুধু কিছু বিষয়ের পরিবর্তন আনতে হবে। ব্যার্থতা আর সফলতার মাধ্যে খুবই ছোট একটি পার্থক্য। আপনি সে পার্থক্য এখন দূর করতে চাচ্ছেন বলেই আমার এই আরটিকোলটি পড়ছেন। আপনার এই চাওয়াই আপনাকে নতুন করে জন্ম দিবে।

নিজের ব্যার্থতার দায় নিজ কাধেই নিতে হবে – যখনই নিজের ব্যার্থতা স্বীকার করবেন তখনই সেটা অতিক্রম করে সফল হওয়ার শক্তি অর্জন করতে প্রতিজ্ঞা করতে সক্ষম হবেন। ভিতু হয়ে বছরের পর বছর বেচে না থেকে সাহসী হয়ে একটি বছর বেচে দেখুন। সবাই আপনার থেকে আলো খুজবে, যারা আপনাকে দেখে চোখ ছোট করে নিত, তারাই চোখ কপালে তুলে আপনাকে তাদের পাশে বসতে অনুরোধ জানাবে। এসব এমনী এমনী হবে না। নিজেকে সেজন্য গড়তে হবে, দুর্গম পাহাড় জয় করার স্বাধনা করতে হবে। তবেই সাফল্য আপনার হবে।

কঠিন একটি সময় পার করেছেন – ২০১৬ কঠিন একটি সময় ছিল। অনেক কিছুই জানতেন না, বুঝতেন না। রাতের পর রাত দিনের পর দিন ভুলভাবে সময ব্যায় করেছেন। আপনার অতীত ছিল ব্যার্থতায় মোড়ানো তাই নতুন স্বপ্ন দেখতে ভয় পেতেন। ভালো লাগার মতো, নতুন করে শুরু করার মতো কোন স্পিহা জাগাতে পারেন নি আপনার মনে। অন্যের কথায় আপনি কুকড়ে গেছেন। নিজের প্রতিভার প্রতি নিজেই বিশ্বাস হারিয়েছেন।

নতুন চোখে তাকান – দেখুন কত দূর থেকে সূর্য আপনার পায়ে আলো এনে দিচ্ছে। আপনি জগত দেখতে পারছেন। আপনি নিজেকে নিয়েই প্রথমে ভাবুন। কত সম্পদ স্রষ্টা আপনাকে ফ্রিতে দিয়েছেন। প্রতিটি নিশ্বাসকে গুরুত্ত্ব দিন। জীবন্ত করে তুলুন নিজের ভিতরে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা। আপনার এজন্য এইটুকুই পাপ্য ছিল এমন ধারনা আনবেন না, আপনি নিজেই আপনার পাপ্যকে আপনার থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। এখন সময় এসেছে নিজের যা আছে তাই নিয়ে শুরু করার। বিশ্বাস করুন আপনার যা আছে পৃথিবীর ২ তৃতিয়াংশ মানুষের তাও নাই। আপনার সুন্দর চোখ দুটির মূল কত জানেন? আপনার মাথার মূল্য? আপনি ভাগ্যবান। নির্দ্বিধায় বলছি, আপনি অবশ্যই ভাগ্যবান। আপনি হাটতে পারেন? তবে আপনি বিষ্ময়কর জাদুঘর।

নিজের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিন – ২০১৭ সালে আপনি কি অর্জন করতে চান? আপনি নিজেই ঠিক করুন। আপনার বস্তবতার আলোতে ১ বছরে আপনি কতটি সিড়ি পার হতে পারেন তা ঠিক করুন। এক বছরেই আপনি সব জয় করে নিতে পারবেন না। তবে একটি ছক করুন। ২০১৭ সাল আপনার জন্য একটি সাফল্যের বছর হবে, যদি আপনি এই কাজগুলো করতে পারেন। কোন অবস্থায় নিজেকে আর ব্যার্থ ভাববেন না। আপনি সফল! আপনি সফল হতেই জন্ম নিয়েছেন। নতুন ছক কাগজে লিখুন। প্রতিদিন একবার তা দেখুন। এই অর্জনের পথে আপনি কতটা দূরে আছেন তা নিয়ে চিন্তা করুন। প্রতি দিন একটু একটু করে কি এগিয়ে যাচ্ছেন তা প্রতিদিন চিন্তা করুন।

২০১৭ সালে সকল চ্যালেঞ্জ নিতে নিজেকে তৈরি করুন – আপনার কাজের পথে কি কি চেলেঞ্জ আসতে পারে? কি কি প্রতিকূলতা দেখা দিতে পারে। কোন পরিস্থিতে নিজেকে কি ভুমিকায় রাখবেন তা ঠিক করুন আগে থেকেই। কোন কোন পরিস্থিতে নিজেকে চুপ কারতে হতে পারে। আবার কোন কোন পরিস্থিতে নিজেকে নায়কের মতো এগিয়ে আনতে হতে পারে। কখনও আপনার পেছনে কাউকে রাখতে হতে পারে যেন আপনি পড়ে গেলে সে দ্রুতই তুলে নে, কখনও আপনি কাউকে টেনে তুলতে হতে পারে। আপনি তখনই সফল হবেন যখন আপনার আলোয় আরো মানুষ আলোকীত হবে।

প্রতিদিন আয়নায় নিজেকে দেখে নিজেই মুগ্ধ হোন – আপনি নিজে যদি নিজেকে সুন্দর না ভাবেন তবে আরেকজন কিভাবে ভাববে? নিজেকে নিয়ে আত্নসমালোচনা করুন। ভালো কাজের জন্য নিজেই নিজেকে ধন্যবাদ দিন। মনে করবেন না, কেবল আপনি অন্যের কাছ থেকে কিছু আশা করুন। মনে রাখবেন, আপনার ভেতরের মানুষটিও আপনার থেকে অনেক কিছু চায়। আপনি প্রতিদিন আপনার ভেতরের মানুষটিকে আলাদা করে ধন্যবাদ দিন। নিজের হাতকে নিজেই ধন্যবাদ দিন। আপনার প্রয়োজনের মুহুর্তে আপনার পাশে ছিল আপনার এই হাত। যখন পড়ে গিয়েছিলেন তখন মাটিতে ভর দিয়ে উঠে তাড়াতে এই হাতই আপনাকে সাহায্য করেছে। আপনার প্রতিটি অঙ্গ আপনাকে সাহায্য করেছে বলেই আপনি বেচে আছেন। আপনি আজ যে দাড়িয়ে আছেন সেটা কেবল আপনার চাওয়া ছিল না। আরো অনেককিছুর সাহায্য নিতে হয়েছে। তাই আয়নায় নিজেকে দেখুন। নিজের প্রতিটি দেহকোষ দেখুন। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ হোন। ভালোবাসুন।


আপনার পারিপাশ্বিক অবস্থান আপনি ঠিক করুন – আপনার রিলেশনশীপ স্টেটাস আপনি কেমন রাখতে চান? আপনার আর্থিক অবস্থা কোথায় নিয়ে যেতে চান? কোন ধরনের গাড়ি আপনি প্রছন্দ করেন? কেমন নারীর ভালোবাসা আপনি চান? পাশাপাশি, অন্যের জন্য আপনি নিজেকে কতটা ত্যাগ করতে পারেন? আপনি প্রতিদিন কতজনের মুখে হাসি ফুটাতে পারেন? আপনি কেমন পরিবেশে বাস করতে চান? কোন পাখির ডাক শুনে আপনার ঘুম ভাঙ্গবে? কোন নদী আপনাকে চলতে শেখাবে? কেমন আকাশ আপনাকে বৃষ্টি এনে দেবে। ভাবুন। সেই পরিবেশেই আপনি আছেন। আপনার শহরের পাশে দিয়ে যে নদীটি চলে গেছে, সেনদী দেখতে গেছেন কখনো? সে কি বলেছে, তা কি শুনেছেন? আপনি যে রাস্তা দিয়ে হেটে যান, তার কথা কি শুনতে পান? যে পাথর মাঝ রাম্তায় পড়ে আছে তা সরাতে বলেছিল সে। আপনি কি সেদিকে মনুযোগ দেন নি। নিজের চারদিকে মনোযোগ দিন।

কল্পনা শক্তি বাড়ান – এই শীতের রাতে একটি চৈত্রের দুপুর ভাবুন তো, গরমে আপনার গা বেয়ে পানি পড়ছে। চোখ বন্ধ করে আরো ভাবুন, আপনার শহরের উপর দিয়ে একটি উড়ুোজাহাজ চলে যাচ্ছে, তার শব্দ শুনুন। শব্দ কত দূরে গিয়ে কীভাবে ধীরে ধীরে মিশে যাচ্ছে তা শুনন। বৃষ্টির জল স্পর্শ করুন। ডুবতে যাওয়া একটি জাহাজে আপনিও। আপনি শান্ত আর সবাই ছুটাছুটি করছে। আপনি সবাইকে পথ দেখাচ্ছেন। যারা সাতার জানে তাদের একজনের সাথে আরো একজনকে এনে দিচ্ছেন যে সাতার জানে না। কিংবা আপনার মধ্য থেকে আরো কোন ক্রিয়েটিভ চিন্তা আসলে তা আসতে দিন। এতে প্রতিকূল পরিস্থিতে আপনি সামাল দেয়ার উপায় ভেতর থেকেই বের করে নিয়ে আসতে পারবেন। সত্যি সত্যি জাহাজ ডুবার অবস্থা না হোক, বাস্তব জীবনে ছোট বড় বিপদে আপনি হবেন কান্ডারী। সে উদ্ভাবনী শক্তি নিজের ভিতরে জন্ম দিতে হবে। এই কল্পনা আপনার চারপাশের ছোট ছোট সম্ভাবনাকে আপনার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিবে।

যোগ্য আপনিও – আপনিও ভালোবাসার যোগ্য। আপনি ভালোবাসতে পারার যোগ্য। আপনি মহিমার যোগ্য, আপনি ক্ষমা করতে পারার যোগ্য। ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য। নিজের গভীরে সে যোগ্যতার বীজ বুনন। একদিন তা বট বৃক্ষ হবেই। আপনার শত্রুও যেন সেদিন এই বটবৃক্ষে ছায়া পায়।


নিজের আচরনে পরিবর্তন আনুন – অন্যকে ধন্যবাদ বলতে শিখুন। সব সময় অন্যকে ধন্যবাদ বলার সুযোগ খুজতে থাকুন। অন্যকে আপনি কেন ভালোবাসেন, কেন প্রছন্দ করেন তা বলুন। আরেকজনের কোন কাজটির জন্য সে আপনার প্রছন্দের মানুষ তা তাকে বলুন। দেখুন সেও আপনাকে ভিন্ন চোখে দেখতে শুরু করবে। যতই কষ্ট হোক, আপনার শত্রুকে দেখে আপনি আগেই তাকে বলুন, কেমন আছেন ভাই? আমি এমন একজন মায়ের গল্প শুনেছি, যিনি তার স্বামীর হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এত বড় মহিমা আর কি হতে পারে। রাতের আধারে  এসে যার স্বামীর গলা কেটে চলে যায় তাকে ক্ষমা করার মতো কলিজা কয় জনের আছে।

প্রতিটি অনুষ্টানে অংশ নিন – জন্মদিনের অনুষ্টান, বিবাহ বার্ষিকী, বন্ধুর সাথে পার্টি? প্রতিটি অনুষ্টানেই অংশ নিন। আপনি সামাজিক হোক। অন্যের সাথে সহজেই বন্ধুত্ত্বপূর্ণ সম্পর্ক করুন। কখনও কোন অনুষ্টানে আলস্য নিয়ে আসবেন না। পরিপূর্ণ তরতাজা হয়েই আসুন। নিজের তারূণ্যে মেঘের কালো ছায়া লাগতে দিবেন না। এই অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ নিয়েই আপনি পেতে পারেন কাজের অনেক সুযোগ। আপনার পরিচয় ঘটতে পারে এমন কারো সাথে যার সাহায্যে আপনার ব্যবসায় কিংবা কাজে অনেক সাফল্য আসতে পারে। নিজেকে লুকিয়ে রাখবেন না। নিজেকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করুন।

আশ্রয় দিন অন্যকে – একটি বিড়াল হলেও নিজের আশ্রয়ে রাখুন। আপনি খাবার টেবিলে বসলে যে অপেক্ষায় থাকে আপনার নষ্ট হয়ে যাওয়া খাবার খাবে। আর আপনি যদি একজন মানুষকে আশ্রয় দিতে পারেন তবে আপনিই মহামানুষ।

ফিরে আসুন ঘরে দেরী হওয়ার আগেই – কেউ আপনার জন্য অপেক্ষা না করুক, বিশ্বাস করুন আপনার খাট আপনার জন্য ঘরে অপেক্ষা করছে। আপনার প্রিয় পুকুর ঘাট, আপনার ঘরের পাশের গাছগুলো আপনাকে খুজছে। ঘরে ফিরে আসুন, আপনার আত্নীয়ের খুজ নিন। প্রতিবেশী বৃদ্ধার জন্য হলেও ফিরে আসুন। ভাজ হয়ে যাওয়া কপালের চামড়ায় যে অভিজ্ঞতা লুকিয়ে আছে, সে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে ঘরে ফিরে আসুন।

আপনি বেচে আছেন – ঘুম থেকে উঠেই স্রষ্টাকে ধন্যবাদ দিন। অনুভব করুন বেচে থাকার আনন্দ। আপনি বেচে আছেন এই আনন্দে দিন শুরু করুন। আপনি যদি বিবাহিত হোন তবে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে নিজের বিষ্ময়ের কথা বলুন। বলুন, ভালোবাসি। সে যদি দূরে থাকে তবে কল্পনা করুন সে আপনার পাশে। তার উষ্মতা অনুভব করুন। তার নিশ্বাস অনুভব করুন। তাকে কল করুন। ধন্যবাদ জানান তাকেও। স্রষ্টা আপনাকে আরো একবার সুযোগ দিয়েছেন। বেচে থাকার আনন্দ ভেতর থেকে বাইরে নিয়ে আসুন। আপনি অবিবাহিত হলে, আপনার কল্পনার মানুষটিকে নিয়ে ২ মিনিট ভাবুন। তাকে নিয়ে সুন্দর একটি নদীর তীর ধরে হাটুন। খালি পায়ে। মাটির গন্ধ নিন। আপনি বেচে আছেন, তাই নতুন দিনটির জন্য এখনই পরিকল্পনা করুন। আজ কার সাথে দেখা করবেন? আজকের জন্য কোন ওয়াদা ছিল? আজ কার জন্মদিন? আজ কাকে কাকে শুভেচ্ছা জানাবেন? আজ কোন বন্ধুটির খুজ নিবেন?আজ কোন কাজ গুলো করতেই হবে। কোথায় কোথায নিজের জবের জন্য আবেদন করবেন? কিংবা অফিসে কি কি নতুন করা যায়। হোক তা যত ছোট কাজ।

সময় নষ্ট করবেন না – কে কি বলল, কে কি বলবে, কোন কাজ করতে পারব না ইত্যাদি অযথা চিন্তা করে সময় নষ্ট করবেন না। সবাই আপনাকে ক্ষমা করলেও সময় আপনাকে ক্ষমা করবে না। সময় আর আপনার কাছে ফিরে আসবে না।

বর্তমানে বাচুন – বর্তমান ছাড়া আর কিছু নিয়ে কথা বলাও অমূলক। তাই বর্তমানকে নিয়ে বাচুন। সব সময় বলুন, আমি বর্তমানকে নিয়েই বাঁচব, আমি বর্তমানকে নিয়েই বাঁচব, আমি বর্তমানকে নিয়েই বাঁচব। এতে নিজের ভেতরে বর্তমান সময়ের গুরুত্ত্ব বাড়বে। আপনি আরো একটিভ হতে পারবেন কাজে কর্মে।

বলুন আপনি সুখি মানুষ – নিজেকে নিজেই বলুন। শতবার বলুন। হাজারবার বলুন। আপনার চেহারা সুখি সুখি করুন। আপনার উপস্থিতি আরো একজন যেন শান্তি পায়। বিরক্ত মনের কারো সাথে একান্ত বাধ্য না হলে কেউ সময় কাটায় না।

আপনিই পাবেন – অতীতে অনেক কাজ আছে যেগুলো আপনি করতে পেরেছেন যা অন্য কেউ হলে সহজেই হাল ছেড়ে দিত। সেগুলো ভাবুন। নিজের প্রতি বিশ্বাস বাড়ান। আপনিও পারেন। কখনও ভুলেও হাল ছাড়বেন না। পরাজয় নামক শব্ধটি মুছে ফেলুন। পরাজয় বলতে আসলে কিছু নেই। প্রতিটি না পারা, আরো বড় কিছু অর্জন করাকে ইঙ্গিত করে। পারতেই হবে। শতবার নিজেই নিজেকে বলুন, আমিও পারি পারি।

২০১৭ সালে আপনি নিজেই সূর্যের মতো হোন। শক্তিমান। আপনার আলোয় চারপাশ আলোকীত হোক। সত্যিই পৃথিবীর প্রয়োজন রয়েছে আপনার মতো মানুষের। তাই তো, এই প্রকৃতি আপনাকে কত বিপদ থেকে নিরাপদ রেখে আজো বাচিয়ে রেখেছে। আপনি চাদের মতো হোন। জোনাকীরা আপনার আলোয় ভালোবাসার হাট বসাবে। আপনি প্রিয়ার ভারসা হয়ে উঠুন। ঘুমের ঘোরে যে স্বপ্ন দেখে ভয় পেয়ে আপনার নামটি ধরে চিৎকার দেয়। আপনি আপনার সন্তানের জন্য এক দৃষ্টান্ত হোন। আপনার সততা জেন তারা গর্বের সাথে অন্যকে বলতে পারে। ২০১৭ সাল  হোক দ্বায়িত্ত্ব নেয়ার বছর। ভালোবাসার বছর। ক্ষমা করার বছর। এগিয়ে যাওয়ার বছর। সাফল্যের বছর। এক নতুন আপনার জন্ম আপনাকেই দিতে হবে। নিজের ভেতরে থেকে পরিবর্তন আনতে হবে। অন্যকে সম্মান করুন। ভালোবাসুন। হাসুন প্রাণ খুলে, বাচুন বীরের মতো। আপনি যত বড় হবেন ততই নথ হতে শিখুন। অন্যের সমালোচনা নিতে শিখুন। অন্যের ভালো গুন খুজুন। প্রতিটি মানুষই ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য।

টিউনটি বড় হয়ে যাচ্ছে তাই ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও শেষ করে দিচ্ছি। আপনারা আবার বিরক্ত হতে পারেন। তাই এখানেই আপনাদের কাছে দোয়া চেয়ে বিদায় নিচ্ছি। আমার জন্য দোয়া করুন। ২০১৭ সাল সকলের জীবনে নতুন প্রাণের জন্ম দিক। আল্লাহ হাফেজ।
শুভ কামনায়, ওবায়দুল হক

টিউনটি সংগ্রহ করা হয়েছে টেকটিউনস থেকে। টিউনটি লিখেছেন ওবায়দুল হক

প্রিয় টিউনসে যুক্ত কর

নির্বাচিতটিউন মনোনয়ন


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *